Pallab's Site
Md Ashfaqur Rahman Pallab
Home
AboutExpand About
Blog
ServicesExpand Services
Albums
Guestbook
Contact

স্বপ্নের স্বাধীনতা


clock March 26, 2010 08:46 by author Pallab

একটা দেশের মাঝেই ছিলো অন্য আরেক দেশ,
তাদের মাঝে বিভেদ ছিলো বেশ।
কারও হাতে শাসন ছিলো, 
দেশ শোষনের আসন ছিলো,
সাথে ছিলো মনের মাঝে ভরপুর বিদ্বেষ।
তারা ভাবতো তারাই সব
তারা সব মহানুভব,
তাদের শাসন-শোষন চলবে অনিমেষ।

দেশের মাঝে অন্য জাতি, ক্লান্ত ছিলো তারা,
অত্যাচারে ছিলো দিশেহারা।
তাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকলে পরে
উঠলো ফুঁসে হঠাৎ করে,
এক হলো সব ভাঙ্গতে সকল অনিয়মের ধারা।
সব ভেদাভেদ ছুঁড়ে ফেলে
কাঁধে কাঁধে সবাই মিলে
ঠিক করলো ভিনদেশীদের করবে যে দেশছাড়া।

তখন দানবেরা ন্যায়বিচারের কথা গেলো ভুলে,
তাদের মুখোশ গেলো খুলে।
রক্তহোলির মত্ত নাচে
অগ্নিশিখার তপ্ত আঁচে
নরক প্রলয় আনলো ধরায় বজ্রধ্বনি তুলে।
ভুলে সাম্যবাদের গান
তখন সেসব পাষাণ প্রাণ
করলো আঘাত মানবতার মূল্যবোধের মূলে।

সাথে চামচিকা আর ছারপোকারা নাড়লো সুখে দাড়ি,
বললো "সুযোগ হেলায় কেন ছাড়ি?"
তারা পা-চাটা সব প্রাণী,
তারা কেমন সবাই জানি,
তারা সুযোগলোভী মানুষরূপি জন্তু এ দেশটারই।
দেশের বুদ্ধিজীবি মেরে
ঘরের মা-বোনদের ধরে
মনের সুখে লুটপাটে সব মাতলো তাড়াতাড়ি।

তবু দমন-পীড়ন অত্যাচারে কেউ থামেনি তাতে,
বরং সবাই অস্ত্র নিলো হাতে।
প্রাণের মায়া ছেড়ে
দেশের সবাই এলো তেড়ে,
নির্মমতার জবাব দিলো তুমুল প্রতিঘাতে।
দিকে দিকে উঠলো সাড়া,
বুঝে গেলো দানবেরা
চলবে না আর শাসন তাদের স্বাধীন এ দেশটাতে।

তখন পায়ের ফাঁকে লেজ ঢুকালো তারা,
জান বাঁচাতে তারাই দিশেহারা।
লাজলজ্জার মাথা খেয়ে
হুমড়ি খেয়ে পড়লো পায়ে,
বললো, "এসব ঢেড় হয়েছে, এই বেলা চাই ছাড়া"।
সেসব চামচিকারাও তাতে
কেউ পালালো সাথে,
আর গর্তে গিয়ে মুখ লুকালো দেশে ছিলো যারা।

আমরা তখন সবাই খুশি, স্বাধীন এ দেশ বুঝি,
স্বপ্ন দিয়ে নতুন জীবন খুঁজি।
এ দেশ এবার নতুন করে
সবাই মিলে তুলবো গড়ে,
মনের মাঝে উদ্দীপনা আশাই ছিলো পুঁজি।
তখন শুধুই সুখের ঢেউ,
তখন তাই বুঝিনি কেউ
এই জগতে মিলে না যে কিছুই সোজাসুজি।

তাই আজও দেখি স্বাধীনতার তিন তিন যুগ পরে
দেশপ্রেমীরা ধুকে ধুকে মরে।
ক্ষমতাতে যে যায় দেখি
হরেদরে সবাই একই,
সবাই বুঝে দেশটা লুটে খাবে কেমন করে।
গর্ত ছেড়ে তাইতো আবার
এ দেশটাকে করতে সাবার
ছারপোকারাও বেড়ায় ঘুরে তাদের আঁচল ধরে।

হায় হতভাগা এ দেশ আমার, হতভাগা জাতি!
প্রতারণাই নিত্য যেন সাথী।
বারে বারে গর্জে উঠে
যতোবারই যাই না ছুটে
স্বপ্ন অধরাই থেকে যায় ধ্বংসে যতোই মাতি।
আমরা তবু হাল ছাড়ি না,
আমরা কারো ধার ধারি না,
আঁধার পারি দিতে জানি আসুক যতো রাতই।
আমরা বীর বাংলার জাতি।



Shikto Bhalobasha


clock February 21, 2009 17:28 by author Pallab

সিক্ত ভালবাসা 


আমার ভালবাসা সখী পর্বত নয়
যতই আঘাত হানো রইবে অটল,
আমার ভালবাসা সখী পেলব তরল
সুধা সঞ্চিত করে রাখা জলাশয়।

আঘাতের ঢেউ খেলে উপরেই তার
অন্তরে সুশীতল গভীর অতল,
বাহিরে যতোই বয়ে যাক ঝড়-জল
হৃদয়ে অনন্ত প্রেমের জোয়ার।

আমার ভালবাসা সখী বৃষ্টি ধারায়
তিলে তিলে করে তার প্রাণ সঞ্চয়,
ভালবাসা জলাশয় সিক্ত হৃদয়
সীমানা ছাড়িয়ে তার প্রসার বাড়ায়।

মিষ্টি কথার কোন প্রলোভনে নয়,
আমার ভালবাসা সখী চোখের তারায়,
চোখের আড়ালে তা যতোই হারায়
মনের গোপনে রয়ে যায় অক্ষয়।

আমার ভালবাসা সখী তরল আকার
হাতের মুঠোয় তাকে ধরে রাখা দায়,
পাওয়া না পাওয়ার কোন হিসেব খাতায়
খুঁজতে যেয়ো না একে প্রেয়সী আমার।



Jibon Shagor


clock February 21, 2009 17:24 by author Pallab

জীবন সাগর


জীবন নামের অথৈ সাগরে
ভেসে যায় মোর ভেলা,
সময় স্রোতের টানে ছুটে চলি
অজানায় সারা বেলা।
পাল তুলে হাতে হাল ধরি জোরে
বুক কাঁপে থরোথরো,
বেলা শেষ তবু জানি না কুলের
কতো পথ বাকী আরও।
যতদূর দেখি জলরাশি শুধু
ঢেউ খেলে চারিধারে,
ছলোছলো তার সুর জেন আরো
বাড়ায় নীরবতারে।
একেলা ভেলায় ভেসে খুঁজে ফিরি
স্বপ্নের কুলরেখা,
জানি না কোথায় চলা শেষ হবে
ঠিকানার পাবো দেখা।



Roopkotha


clock February 7, 2009 08:01 by author Pallab

রূপকথা


ইচ্ছে আমার ইচ্ছেমতো
কল্পকথার জাল বুঁনে,
মন যেন তার স্বপ্নগুলো
সত্য হবার দিন গুনে।
ভোরের আলো সজীবতার
নতুন রঙে মন রাঙায়,
ভাবনা আমার ভীড়ায় তরী
স্বপ্নলোকের কোন ডাঙ্গায়।
মেঘের ফাঁকে আলোর খেলা
ভাল লাগার নেই মানা,
বন্দী আমি জগতটাতে
মুক্ত তবুও মনখানা।
সুর যা আছে খুঁজে বেড়াই
তাই দিয়ে মোর গান গাঁথা,
আজ জেনো যেই ফুল ফুটেছে
কাল হবে তাই রূপকথা।



Tumi


clock September 17, 2008 09:02 by author Pallab

তুমি 
 

আমি ভাঙ্গা গড়ার মাঝেই দেখি
     ভবের খেলা
          সারা বেলা,
দেখি তোমার প্রকৃতিরই ছন্দে।

দূর আকাশে রাতের কোলে
কাজঁল চোখে দু'চোখ মেলে
চাঁদের আলোয় ভাসো কি আনন্দে?

তুমি এইতো হেসে ভালবেসে
দু'হাত বাড়াও,
আবার দেখি বৃষ্টি ঝরাও
অভিমানের বাঁধ ভাঙ্গা কোন দ্বন্দে?

অনুরাগে কাছে টানো,
আবার যখন আঘাত হানো
সেই আঘাতেও ভাসি প্রেমানন্দে।


আমি তোমার চোখের তারায় দেখি
     সর্বনাশা
         
পাগল নেশা,
দেখি চোখের প্রণয় আমন্ত্রন যে।

ছন্দ তুলে মাতাল সুরে
ঢেউ তুলে যায় কি ঝংকারে
কোন সে নাচে তোমার তনুমন যে?

তুমি এইতো এসে মিষ্টি হেসে
আদর করে -
আবার ছুটে পালাও দূরে
দুলিয়ে আমার রক্তে কি মন্থন যে!

তুমি, শুধুই তুমি এ মন জুরে,
হারাই যে তাই এমন করে
বিভোর হয়ে তোমায় প্রতিক্ষণ যে!