Pallab's Site
Md Ashfaqur Rahman Pallab
Home
AboutExpand About
Blog
ServicesExpand Services
Albums
Guestbook
Contact

Shikto Bhalobasha


clock February 21, 2009 17:28 by author Pallab

সিক্ত ভালবাসা 


আমার ভালবাসা সখী পর্বত নয়
যতই আঘাত হানো রইবে অটল,
আমার ভালবাসা সখী পেলব তরল
সুধা সঞ্চিত করে রাখা জলাশয়।

আঘাতের ঢেউ খেলে উপরেই তার
অন্তরে সুশীতল গভীর অতল,
বাহিরে যতোই বয়ে যাক ঝড়-জল
হৃদয়ে অনন্ত প্রেমের জোয়ার।

আমার ভালবাসা সখী বৃষ্টি ধারায়
তিলে তিলে করে তার প্রাণ সঞ্চয়,
ভালবাসা জলাশয় সিক্ত হৃদয়
সীমানা ছাড়িয়ে তার প্রসার বাড়ায়।

মিষ্টি কথার কোন প্রলোভনে নয়,
আমার ভালবাসা সখী চোখের তারায়,
চোখের আড়ালে তা যতোই হারায়
মনের গোপনে রয়ে যায় অক্ষয়।

আমার ভালবাসা সখী তরল আকার
হাতের মুঠোয় তাকে ধরে রাখা দায়,
পাওয়া না পাওয়ার কোন হিসেব খাতায়
খুঁজতে যেয়ো না একে প্রেয়সী আমার।



Jibon Shagor


clock February 21, 2009 17:24 by author Pallab

জীবন সাগর


জীবন নামের অথৈ সাগরে
ভেসে যায় মোর ভেলা,
সময় স্রোতের টানে ছুটে চলি
অজানায় সারা বেলা।
পাল তুলে হাতে হাল ধরি জোরে
বুক কাঁপে থরোথরো,
বেলা শেষ তবু জানি না কুলের
কতো পথ বাকী আরও।
যতদূর দেখি জলরাশি শুধু
ঢেউ খেলে চারিধারে,
ছলোছলো তার সুর জেন আরো
বাড়ায় নীরবতারে।
একেলা ভেলায় ভেসে খুঁজে ফিরি
স্বপ্নের কুলরেখা,
জানি না কোথায় চলা শেষ হবে
ঠিকানার পাবো দেখা।



Roopkotha


clock February 7, 2009 08:01 by author Pallab

রূপকথা


ইচ্ছে আমার ইচ্ছেমতো
কল্পকথার জাল বুঁনে,
মন যেন তার স্বপ্নগুলো
সত্য হবার দিন গুনে।
ভোরের আলো সজীবতার
নতুন রঙে মন রাঙায়,
ভাবনা আমার ভীড়ায় তরী
স্বপ্নলোকের কোন ডাঙ্গায়।
মেঘের ফাঁকে আলোর খেলা
ভাল লাগার নেই মানা,
বন্দী আমি জগতটাতে
মুক্ত তবুও মনখানা।
সুর যা আছে খুঁজে বেড়াই
তাই দিয়ে মোর গান গাঁথা,
আজ জেনো যেই ফুল ফুটেছে
কাল হবে তাই রূপকথা।



Dui Pagoler Prolap


clock May 27, 2008 05:51 by author Pallab
দুই পাগলের প্রলাপ

তিনি ছিলেন এক তালগাছের অধিকারিনী। সারাদিন সেই গাছের মাথায় বসে থাকতেন। এবং সেখান থেকে মাঝে মধ্যে এই অধমের উদ্দেশ্যে কিছু মহত্‌ বানী নিক্ষিপ্ত করতেন। আর এভাবেই অনলাইনে চলতো আমাদের দু'জনার বানী বিনিময়। তার কিছু আপনাদের উদ্দেশ্যে এখানে উত্‌সর্গ করলামঃ  

পাগল কইন্না

নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান
ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই
,
যে করিবে কুস্তি
তারে হইতে হইবে হস্তী

......

পাগল কবি

কে ওই শুনালো মোরে কুস্তির ধ্বনি...
চর্মে চর্মে সেই সুর
চুলকালো বহুদূর
,
ওষ্ঠাগত প্রাণ বুঝিলো এমনি
...
কুস্তি লড়ে যে হস্তী বাহিনী

সকালে উঠিয়া আমি প্রার্থনা করি
সারাদিন আমি যেন কুস্তি লড়ি

পিটাইতে বলেন যারে হস্তিনী মোরে
আমি যেন ঠিকমতো পিটাই তাহারে

......

পাগল কইন্না

চল চল চল
কুস্তির মাঠে হাতীর পাল
কুস্তি লইড়া দিমু ফাল
হাতে সবার গাছের ডাল
চলরে চলরে চল
...

......

পাগল কবি

যতোই তুমি লাফাও না কেন
কুস্তি লড়ায় ঝাপাও না কেন
মট্ করে আর যতোই ভাঙ্গো ঠ্যাং
,
তারচে বরং এখন থেকে
তোমার হবু জামাইটাকে
কথায় কথায় মারবে না আর ল্যাঙ

ওই বেচারা কেঁদেকেটে
অনেকটা দূর লেংচে হেটে
আমার কাছে নালিশ দিলো এসে
,
মনের মাঝে প্রেম যা ছিলো
সব নাকি তার বিফল গেলো
তোমার সাথে কুস্তি লড়ায় ফেঁসে

......

পাগল কইন্না

এমন ডাঁহা মিছা কথা
হবে তোমার মুখে ব্যাথা
আমার জামাই অনেক ভাল
করেনা সে মুখটা কালো

আমিও মোটেই মারিনা তারে
সে ভালা পায় আমারে

আমারে ভীষনই ভালবাসে
দেখলে আমায় শুধুই হাসে...

আর আমি বেশ নিরীহ মেয়ে
চোখ দিয়া দেখ চেয়ে
...

......

পাগল কবি

কাব্য ছড়া লিখতে হলে
ছন্দ সাজাও মিথ্যে বলে
এইতো নিয়ম কাব্য লেখার জানি
,
তাইতো তুমি নিজেও দেখি
কাব্য লেখায় হায়রে এ কি
!
জামাই নিয়ে করছো টানাটানি

আরে বাবা জামাই বাপু
যতোই না হোক বিশালবপু
স্ত্রী বলেন স্লিম যে তিনি ভারী
,
এমনি করে মিথ্যে বলে
কাব্য গেঁথে সুখের ছলে
স্ত্রী ঢাকেন মনের আহাজারী

কি আর করা তুমিও তবে
প্রশংসা তার চালাও সবে
দোষটা ঢেকে নিভৃত আড়ালে
,
জীবনটা এক জোয়ার ভাটা
তোমার হাতেও থাকবে ঝাঁটা
মিষ্টি কথার ভাবখানা ফুরালে

......

পাগল কইন্না

মিথ্যা নিয়া গবেষনা???
ফাগল অতো বেশী ভাইবো না
...
হাতে না থাকলে ঝাঁটা
জামাইয়ের পায়ে বিঁধবে কাঁটা

তুমি এতো চিন্তিত কেন্
?
আর ইউ ভীতু ম্যান
?
কাব্য আমি লিখতে পারি
পারিনা দিতে ঝাঁটার বাড়ি

আমার জামাই-র নাই তো ভুড়ি,
কারণ তার ঐ দৌড়াদৌড়ি

লম্বায় সে তালগাছ
পছন্দ করে খাইতে মাছ...

তোমার কি কি প্রিয় বলো
ইয়াহু-তে নাই, কি হলো
?

......

পাগল কবি

ইয়াহু-তে কেমনে বলো থাকি?
মেইল করি চেক অফিস দিয়ে ফাঁকি

পরলে ধরা খবর আছে জেনো
,
তাইতো আমি চ্যাটিংয়ে নাই কোন

মাঝে মধ্যে চান্সটা পেলে তাই
মেইলটা শুধু চেক করে যে যাই

তারই মাঝে একটু আরও বেশি
ফাঁকি দিয়ে ছন্দে লেখা কঁষি

কিন্তু তোমার ব্যাপারখানা দেখি
সারাক্ষনই অনলাইনে, সে কি
!
দিনরাত নাই চ্যাটিং করে চলো
ভাবি দেশের আজ এ কি হাল হলো
!
ছেলে মেয়ে আজ ইঁচড়ে পাঁকা
এই বয়সেই প্রেম করে দেয় ছেঁকা

ভাল হতে খরচ তো নাই কোন
থাকতে সময় শুধরাও এখনো

......

পাগল কইন্না

সকালেতে থাকলে পরে ক্লাশ
দৌড় দিতে হয় পানি খেয়ে এক গ্লাস

দুপুর বেলায় ফিরলে পরে বাসায়
নেট-এ আসার সুযোগ আমি পাই

এই হলো রুটিন নিত্যদিনের
তুমি কিনা দোষ দিলা চ্যাটিংয়ের
?
সারাক্ষনই অনলাইনে যদি থাকি
বাসায় আমায় আস্ত রাখবে নাকি?

আসি আমি সব কাজটাজ সেরে
হিংসা করছো বুঝলাম এইবারে...

আমি অনেক লক্ষী আর ভাল
মনটা আমার নয় মোটেই প্যাঁচালো

ফাঁকি তো সেই তুমি মারো দেখি
অফিস ফেলে অনলাইনে দাও উঁকি

বলছি শুনো সময় এখনো আছে
ভাল হও, সময় পালায় পাছে

......

পাগল কবি

তোমার ডেইলী রুটিন দেখে
পাচ্ছে আমার হাসি
,
এতোকিছুর মাঝেও চালাও
ভাল বাসাবাসি

আমি তো আর অফিস ছেড়ে
চ্যাটিংয়ে নাই কোন
,
মাঝে মাঝে মেইল করা চেক
ফাঁকি না কখনো

ঘরের থেকে অফিস ফাঁকি
এমন কি আর বড়
,
তুমি তো ঘর ফাঁকি দিয়ে
ইটিশ পিটিশ করো

তারচে বলি সময় আছে
বাদ দাও এই সবই
,
প্রেমের চেয়ে বাপ-মা বড়
বলেন পাগল কবি

......

পাগল কইন্না

পাগল কবি অফিস বসে
কাব্য লিখে যায়
,
তার উপদেশ শুনে আমার
ভীষন কবিতা পায়

ইটিশ পিটিশ করছি আমি
সবাইকে জানিয়ে
,
খারাপ যদি করতাম কিছু
মারতো পিটিয়ে

আমার ডেইলী রুটিনেতে
অনেক টানাটানি
,
বাসে করে অনেকটা পথ
অনেক হয়রানী

কই তুমি মুখ বাঁকাবে
আমার জন্যে আফসোসে
,
তুমি কিনা তা না করে
হাসছো বসে বসে

আমি এসে এখন নেট-
পেলাম কবির কাব্য
,
কিন্তু আমি এখন কি এই
মেইল পাওয়া নিয়ে ভাববো
?
পাগলটা যে হাসবে বসে
চ্যাটিং তাহার চলছে
,
দেশের হবে কি যে এবার
মনে মনে তাই বলছে

......

পাগল কবি

উপহাসে কাব্য যদি লেখো,
হাজার আরো উপদেশেই
ভাসবে তুমি দেখো

কাব্য লেখা বেশ তো তোমার আসে
,
ছন্দে ছড়ায় সাজাও কথা
তরল পরিহাসে

যাও চালিয়ে এমনি করে লেখা
,
তাই বলে ফের বাদ দিও না
তোমার পড়ালেখা

একসাথেই চলতে থাকুক সবই
,
ইটিশ পিটিশ সেটাও নাহয়
থাকলো তোমার হবি

একদিন ঠিক হবে তোমার জানি
-
পাগলী কবির খেতাব সহ
কতো না সম্মানী

......

পাগল কইন্যা

এই যে শুনেন
মাঝখানেতে ছিলাম না দুই ঘন্টা
বইয়ের মাঝে ছিলো যে এই মনটা

দু'দিন পরে শুরু হবে এক্সাম
,
এই ভেবে মাথায় চলছে বেশ জ্যাম

ফাঁকি দিলে করবো আমি ফেইল
,
আর খোঁটা দিয়ে আপনি লেখবেন মেইল

উপহাস না হাসতে আমি ভালবাসি,
কথায় কথায় পায় যে শুধুই হাসি

উপদেশ আর উপহাসের মাঝে হাসি দিয়ে
সব কিছু বেখেয়ালে যাই আমি এড়িয়ে

করছেন কি অফিস বসে
ধূমপান কি চলে
?
সহ্য হয় না ধোঁয়া আমার
নাকটা শুধুই জ্বলে

আজকে রাতের মেনুতে আছে
ডালের ভর্তা আর করলা ভাজি
মেনু শুনে আমায় আবার বলবেন না
মেয়েটা কি পাজি!!!

এবার তবে যাই
কাব্য পেয়ে কালকে দিবো আবার রিপ্লাই

......

পাগল কবি

কাব্য লেখায় দেরি হলো
একখানা দিন, সরি
,
তোমার লেখা পড়ে দিলাম
হেসেই গড়াগড়ি

এক্সামটা সামনে যদি
বন্ধ করো পড়া
,
তারচে বরং মনের সুখে
লিখতে পারো ছড়া

এই সময়ে পড়লে মাথা
জ্যাম হবে যে আরও
,
সারা বছর যা পড়েছো
তাই লিখো যা পারো

আমার সদাই প্রবলেম হয়
এক্সামেতে এসে
,
যখন আমি যা পড়েছি
মাথায় বেড়ায় ভেসে

কোনটা ছেড়ে কোনটা লেখি
পাইনা ভেবে কুল
,
এক্সাম ঠিক পাস হয়ে যাই
যতোই লেখি ভুল

ধোঁয়ার জালে আমারো পায়
ভীষন হাঁচি-কাশি
,
তাইতো আমি ধুমপানহীন
থাকি বার মাসই

ফুসফুসেতে ভরলে ধোঁয়া
লাভ কোন নেই তাতে
,
তাও দেখি ঠিক অনেক ছাগল
বেড়ায় বিড়ি হাতে

ভাবে এতেই পুরুষ পুরুষ
ভাবটা বাড়ে বেশি
,
ছাগলগুলোর কান্ড দেখে
মুচকি আমি হাসি

নিজের পায়ে কুড়াল মেরে
ভাবছে তারা সুখে
,
এমনি করেই চামে তারা
যাবে বিড়ি ফুঁকে

যাকগে বরং থাক সে কথা
বলে কি আর হবে
,
সময় আসুক তখন ঠেলা
বুঝবে ঠিকই সবে

মেনুর কথা বলে আমার
আনলে জিভে পানি
,
চাখতে আমার সখ হলো খুব
ডালের ভর্তাখানি

তার মাঝে দাও একটু যদি
সরষে তেলের ছোঁয়া
,
অল্পক্ষণেই দেখবে তোমার
ভর্তা সবই হাওয়া

বাসায় গিয়ে আজ আমারো
ভর্তা করার আশা
,
নিজের হাতে রান্না করাই
আমার যে ভরসা

......

পাগল কইন্না

ছড়া আমি না পেয়ে আজ
ভাবছিলাম কি হা হা
,
ছন্দ বুঝি পাননি খুঁজে
কি দুঃখ আহা
!
কথা বলার মাঝখানেতে
নেট হয়ে গেলো হাওয়া
,
কি আর করা বিরস মুখে
পিসি থেকে উঠে যাওয়া

এখন এসে পেলাম আপনার
বেশ কিছু অফলাইন
,
তারপরেতে পেলাম আবার
ছড়ার অনেক লাইন

ধুমপানের গন্ধ আমার
বড্ড খারাপ লাগে
,
কেন জানি মানুষের এই
ধোঁয়ার নেশা জাগে
!
আপনি যে নন তাদের দলে
খুশি হলাম বেশ
,
আসুন এবার আপনাকে দেই
ধন্যবাদ অশেষ

আমার পড়ার ধরনটা
বেশ আজীব রকম
,
টেবিলে বসে পড়তে আমার
ভাল লাগে কম

পড়ি আমি বিছানায় বসে
বই খাতা সব ছড়িয়ে
,
কখনো বসে কখনো শুয়ে
পড়ায় যাই হারিয়ে

খুব বেশি পড়ি না আমি
করিও না মুখস্ত
,
অল্প পড়েই যা লেখি
টিচার হয় সন্তুষ্ট

যাকগে এবার ভর্তার কথায় আসি,
ভর্তা খেতে আমি খুবই ভালবাসি

আলু ডাল বেগুন কিংবা
মিষ্টি কুমড়ার সাথে
-
পেঁয়াজ মরিচ সরষের তেল
খেতে লাগে জোস ভাতে

আপনার কষ্টে আমি
খুবই হলাম সমব্যাথী
,
করার নেই কিছুই আর
দেয়া ছাড়া সিমপ্যাথী

আমি যাবো একটু পরে
লাইট অফ করে শুনবো গান
,
ভাল থাকবেন ফাগল কবি
যেইভাবে থাকতে চান

......

পাগল কবি

তোমার লেখা পেয়ে মনে
জাগলো খুশির রেশ
,
মানতেই হয় ছড়া লেখায়
দক্ষ তুমি বেশ

আমি যেমন পাগল কবি
পাগলি তুমিও তবে
,
ছড়া লেখায় উন্নতি যে
তোমার হবেই হবে

ছড়া লেখার পাগলামিটা
পাগলামি নয় মোটে
,
এই ধরনের পাগল যেন
সবখানেতেই জোটে

তাইতো তোমার পাগলামিটা
নিত্য যেন বাড়ে
,
এই কামনাই করছি আমি
আজকে বারে বারে

 

বিশেষ নোটঃ পাগল কইন্না হচ্ছেন আমার সেই নেট ফ্রেন্ড, যার সাথে ইমেইলে কবিতায় কবিতায় লেখালেখি চলতো। আর ইন্টারনেটে যে আমি নিজেই পাগল কবি হিসাবে পরিচিত সেকথা তো বলাই বাহুল্য। Cool 



Ma Tor Mukher Bhasha


clock February 21, 2008 03:24 by author Pallab

মা তোর মুখের ভাষা

 

মাগো তোর মুখের ভাষায় বলছি মনের কথা,
ঐ দেখ তোর ভাষাতেই সূর্য হাসে
তোর ভাষাতেই জোছনা ভাসে,
প্রাণের সকল কথাই মাগো তোর ভাষাতে গাঁথা,
মা তোর মুখের ভাষায় খুঁজে বেড়াই
প্রাণের আকুলতা।

কি মধুর তোর কথা মা, কেমনে বুঝাই বল?
এ বুলি যতোই শুনি তোর বুলি মা প্রাণে যে দেয় দোল,
এ ভাষায় পরশ বুলায় মা তোর গায়ের সুগন্ধী আঁচল।
তোরে মা কেমনে বুঝাই বল?

মাগো তোর মুখের ভাষা কাড়বে কে বল মোরে?
কে আঘাত করবে মা বল তোরে।
যতো তোর বিদ্রোহী সব দামাল ছেলের দল
আছে মা, ভয় কিসে তোর বল।

এ দেহে থাকতে মা প্রাণ চিন্তা যে নাই তোর,
ডেকে দেখ, সকল বাঁধার বাঁধন টুটে
তোর কাছে মা আসবো ছুটে,
আঘাতে আনবো দেখিস ক্ষুব্ধ তুমুল ঝড়।
ছেলে তোর রুদ্র মাগো, ভীষণ ভয়ংকর।

মা তোর চিন্তা কোন নাই,
আমি তোর দামাল ছেলে, তোর চরণে
একটু মা দিস ঠাঁই।